সাড়ে ৭০০ ট্যাকা করি দশপণ বেচন সাড়ে সাত হাজার ট্যাকা দিয়্যা কিননু।
ইজারাদারের নোক টোল নিলো ২০০ ট্যাকা। এ্যাগলা এ্যাখোন ভ্যানোত (ভ্যান) করি
বাড়িত নিয়্যা যাবার ভাড়া, জমি হাল-চাষের খরচা, বেচন নাগাবার কামলার দাম,
সার-ওষুদ (কীটনাশক) কেনার ট্যাকা, নিরানি কামলা খরচা। শনিবার বিকালে
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর হাটে আমন ধানের চারা কিনতে এসে এসব কথা বলেন
সাদুল্লাপুর উপজেলার বনগ্রাম ইউনিয়নের হবিবুল্লাপুর গ্রামের বর্গাচাষি
রাঙ্গা মোল্লা।সম্প্রতি টানা কয়েক দিনের বৃষ্টি আর উজানের ঢলে জেলার আমন
ধানের বীজতলা পানিতে ডুবে গিয়ে পচে নষ্ট হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের
গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত খরচ। ধানের চারা তাদের বিভিন্ন হাট-বাজার থেকে
দ্বিগুণ দাম দিয়ে সংগ্রহ করতে হচ্ছে।জেলাজুড়ে আমন ধানের চারা রোপণ শুরু
হয়েছে শ্রাবণ মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে। ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত
এই রোপণ কার্যক্রম চলবে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, গাইবান্ধায়
চলতি মৌসুমে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ লাখ ৩৩ হাজার ১২০ হেক্টর।
এসব জমিতে ধান রোপণের জন্য ৭ হাজার ২৫ হেক্টর জমিতে আমন বীজতলা করা
হয়েছিল। টানা বৃষ্টিতে ১৩২ হেক্টর বীজতলা পানিতে ডুবে গেছে। এর মধ্যে
পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৩ দশমিক ৫ হেক্টর। তবে বাস্তবে এই ক্ষতির
পরিমাণ আরও বেশি।